ঢাকার নবাবগঞ্জ এ মানবিক সেবামূলক হাসপাতাল তৈরী হচ্ছে, তাদের মিশন- ভিশন কি-?
প্রথমেই আপনাদের জানাচ্ছি ৩ টা ভাগে-ভাগ করে আপনাদের জানাবো ইনশাল্লাহ –
প্রথম ভাগ-তাদের ২০০/ ৩০০ সদস্য বা শেয়ার মালিক কেন নিবেন,
দ্বিতীয় ভাগে-আপনাদের জানাবো,তাদের উদ্দেশ্য ও সার্ভিস বা মেনেজিং সিস্টম কেমন হবে।
তৃতীয় ভাগে-আপনাদের জানাবো এই হাসপাতাল কোথায় ও কেমন জায়গায় তৈরী হবে ঐ ঐতিহ্যবাহী মানবিক সেবামূলক হাসপাতাল।
প্রথম ভাগ-তাদের ২০০/ ৩০০ সদস্য বা শেয়ার মালিক কেন নিবেন,
সচারাচর আমরা সবাই মনে-প্রানে চাই ব্যাবসা শেয়ার/ভাগে করবো না,তাদের যুক্তি আছে,পার্টনারশীপ ব্যাবস্যা করে তাদের সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে,সবাইকে নিয়ে ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে,বর্তমানে আমাদের সমাজে ও দেশে কেহ কারো কথা শুনে না, মানে না,সবাই নিজেকে নিজে প্রধান ভাবে,সবাই নিজেকে নিজে রাজা ভাবে,তাহলে কিভাবে সম্ভব এতো সদস্য নিয়ে কাজ করা,ইনশাআল্লাহ আমরা ঐক্য বদ্ধ ভাবে এই কাজ করবো। ২০০/৩০০ সদস্য বা শেয়ার মালিক তাদেরকেই নেয়া হবে যারা মানবিক সেবামূলক কাজ করতে ইচ্ছুক,যারা নিজের ও নিজের পরিবার সবাইকে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে চাচ্ছেন ও যারা সীমিত লাভজনক হালাল ব্যাবসা করতে চাচ্ছেন তারা,যারা এই শেয়ারের উপর নির্ভরশীল না তাদের জন্য,আর যারা মনে করবে আমার এই শেয়ার লাভের টাকা দিয়েই আমার সংসার চালাতে হবে তাদের কে আমাদের সাথে না আসাতে আমরা উপদেশ দিবো,কার্যকারী পরিষদের সিদ্ধান্ত আপনাকে মানতে হবে,আর আপনাকে পদ-পদবী বা ক্ষমতা অহংকার সব আপনার চিন্তা ভাবনা থেকে বাদ দিতে হবে,আলোচনা ও যোগ্যতা ভিত্তিতে মেনেজিং বা কার্যকারী কমিটি তৈরী করা হবে। কার্যকারী পরিষদ যদি মনে করে আমরা প্রথম বছর আমাদের লাভের অংশ আমরা আমাদের হাসপাতালে ইনভেস্ট করবো,এটা আমাদে সকল শেয়ার মালিকদের মেনে নিতে হবে,অন্য অন্য সকল সিদ্ধান্ত সাধারণ শেয়ার মালিকদের মেনে চলতে হবে।
দ্বিতীয় ভাগে-আপনাদের জানাবো,তাদের উদ্দেশ্য ও সার্ভিস বা মেনেজিং সিস্টম কেমন হবে।
মানবিক সেবা মূলক চিকিৎসা সেবা দেয়া, প্রথমে আমরা নিজের ও নিজের পরিবার সবাইকে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা,প্রতিটা শেয়ার মালিক কে আইডি কার্ড বানিয়ে দেয়া হবে,ঐ কার্ডধারীকে ৫০% ডিসকাউন্ট বা আলোচনা সাপেক্ষে সম্পুর্ন ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে।যে কয়টা বিভাগ চালু হবে সেই বিভাগে সর্বসেরাটা দেয়ার চেষ্টা করবো,
প্রথম বিভাগঃ- মা ও শিশু বিভাগ, এটার মধ্যে আমরা সবচেয়ে বেশী ফোকাস দেবো,বর্তমানে নবাবগঞ্জ ও দোহারে প্রতি শুক্রবার কিছু ডাক্তার নামে কশাই আসে গর্ভবতী মহিলাদের পেট কাটার জন্য,তারা যে যতো পেট কাটতে পারবে তার তত টাকা, তাই আমরা এই সিস্টেম চেঞ্জ করে ১০০% নরমাল ডেলিভারি দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।
আর আমাদের সকল রোগীদের সাধ্য অনুযায়ী নবাবগঞ্জ ও দোহারে চেয়ে সেরা সেবা দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের সার্ভিস দিন-রাত ২৪ ঘন্টা সেবা দেওয়ার টার্গেট আছে,থাকবে ২৪ ঘন্টা এম্বুলেন্স সার্ভিস ও ২৪ ঘন্টা জেনেরেটর সার্ভিস,জুরুরি কক্ষে এসি( শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত) সার্ভিস থাকবে।
তৃতীয় ভাগে: কোথায় ও কেমন জায়গায় তৈরী হবে ঐ ঐতিহ্যবাহী মানবিক হাসপাতাল, নিজের জায়গায় নাকি ভাড়া জায়গায় হবে-?
সর্বপ্রথম আমরা যখন এই মানবিক হাসপাতাল নিয়ে কিছু মানবতার ফেরিওয়ালা এরা আলোচনা করে তখন আমাদের টার্গেট ছিলো ঢাকার নবাবগঞ্জ পূর্বাঞ্চল সকল প্রবাসীদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত সুবিধাজনক করতে তাদের কাছাকাছি এমন একটা জায়গা আমরা সিলেক্ট করবো, যেমন: আগলা ইউনিয়ন,বাহ্রা ইউনিয়ন, বক্সনগর ইউনিয়ন, চুরাইন ইউনিয়ন, গালিমপুর ইউনিয়ন, কৈলাইল ইউনিয়ন, মুন্সিগন্জ এর সিরাজদিখান এর খারশুল, বেনুখালী,বাড়িখালি, সহো আরো বেশ কিছু এলাকার আশেপাশে ভালো কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিক নাই, তাই আমরা আগলা,টিকুরপুর, কোমরগন্জ এই এলাকায় হাসপাতাল তৈরীর পরিকল্পনা ছিলো, এখনো আছে,তবে সবার মতামত ও আলোচনা ভিত্তিতে আমরা জায়গা নির্ধারন করবো, নবাবগঞ্জ এর যে কোন জায়গায়,আমাদের চিকিৎসা সেবার মান ভালো হলে যে কোন জায়গায় হাসপাতাল হলেও রুগীরা যাবে,আর আরেকটা ব্যাপার তা হলো আমরা আপাতত কোন জায়গা কেনার চিন্তা ভাবনা নাই,এবং মেইনরুটের সাথে রেডিমেড বিল্ডিং যদি পাওয়া যায় তাহলে আমরা বিল্ডিং করে আমাদের ইনভেস্ট করার চিন্তা নাই, কারন আমরা জায়গা ও বিল্ডিং করে আপাতত টাকা ইনভেস্ট করতে চাচ্ছি না,ঐ টাকা দিয়ে আমরা আমাদের চিকিৎসার চিকিৎসা যন্ত্রপাতির ও টেস্ট করার মেশিন ক্রয় করবো,তাই আমাদের জায়গা কেনা বা বিল্ডিং করার চিন্তা ভাবনা নাই।
বিঃ দ্রঃ যারা মানবিক সেবামূলক হাসপাতাল তৈরী করতে ইচ্ছুক তারাই যোগাযোগ করবেন,বেশী বেশী লাভের চিন্তা করা,এবং টাকা ইনভেস্ট করার পরের মাসেই লাভ চাইবেন তারা না আসার জন্য অনুরুধ করছি,পদ-পদবী,আসায় আপনে এই হাসপাতালে সাথে জড়িত হবেন না,কারন সবার সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করে যোগ্য ও সৎ গ্রহনযোগ্য ব্যাক্তিকেই আমরা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার শুজুক দিবো ইনশাআল্লাহ।










